July 9, 2020

MIRROR NEWS

re-flexion of truth

অসমে ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র,ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যু

গত কয়েক সপ্তাহের টানা বর্ষণে ভাসছে অসম। প্লাবিত রাজ্যের ২০টি জেলা। ইতিমধ্যেই বন্যার করাণে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। সেই সঙ্গে বড় বিপদ নদী ধস। তাতে মৃত্যু হয়েছে আরও কমপক্ষে ২৩ জনের। বৃষ্টি এখনও চলছে।

আর এবার সেই ভারী বর্ষণে ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র। তাতেই বেড়েছে বিপদের আশঙ্কা।

সুত্রের খবর, অসমের বহু এলাকাতেই  বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্রের জল। ফলে সর্বত্রই বন্যার আশঙ্কায় গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা।

ইতিমধ্যে, জলের তলায় চলে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার কয়েক হাজার হেক্টর চাষের জমি। অনেক গৃহপালিত পশুরও মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে।

রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর সুত্রে খবর, বন্যায় অসমের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধেমাজি, লক্ষ্মীপুর, বিশ্বনাথ, উদালগুড়ি, দারাং, লনবাড়ি, বরপেটা, কোকরাঝাড়, ধুবড়ি, নগাঁও, গোলাঘাট, জোরহাট, মাজুলি, শিবাসাগর, ডিব্রুগড়, বনগাইগাঁও, দক্ষিণ সালমারা, গোলপারা, কামরূপ, মরিগাঁও, হজাই, পশ্চিম করবি আংলং ও তিনসুকিয়া।এখনো জলের তলায় ডিব্রুগড়ের বহু এলাকা।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী,অসমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৯.২৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ। জলের তলায় প্রায় ৬৮,৮০৬ হেক্টর কৃষি জমি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন বিপদের আগমন অসমের এই সব এলাকাগুলিতে।

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ১৯৩ টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ। সেই সংখ্যাটা প্রায় ২৮ হাজার। বন্যায় ব্যাপক হারে ক্ষতি হয়েছে গবাদিপশুরও। গবাদি পশুদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলেছেন গ্রামবাসীরা। অনেকেই আবার নিয়ে যেতে পারছেন না পোষ্যদের।

ইতিমধ্যেই,রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দল সহ জাতিয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে।উদ্ধার করা হচ্ছে বন্যা কবলিত মানুষদের।যথা সম্ভব ত্রান পৌছে দেওয়া হচ্ছে দুর্গতদের।

অসমের উত্তর-পুর্বের জেলাগুলিতে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।আবার বন্যায় নতুন করে তৈরি হয়েছে ভয়।

তাই ত্রান শিবিরগুলিতেও যাতে সংক্রমন না ছড়ায় সেই দিকে কড়া নজর রাখছ স্থানীয় প্রশাসন।

 

PAYTM

GOOGLE PAY