July 10, 2020

MIRROR NEWS

re-flexion of truth

একাধিক বক্তব্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ


অনিকেত দেবনাথঃ  ৩০ জুন, মঙ্গলবার, বিকেল ৪ টে থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণের শুরুতেই তিনি বর্তমান মহামারীর সমন্ধে দেশকে সচেতন করে বলেন।

তিনি বলেন, ধীরে ধীরে আনলক হচ্ছে দেশ এই সময় দেশবাসীকে আরও সতর্ক হতে হবে। তবেই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

এদিনের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা ‘আনলক-২’ এ প্রবেশ করতে চলেছি। তার সঙ্গে আমরা প্রবেশ করতে চলেছি সর্দি, কাশী ও জ্বরেরে সিজিনে। আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করছি আপনারে নিজেদের খেয়াল রাখুন। লকডাউন কে সঠিক ভাবে মান্যতা দিন। তাহলেই আমরা লক্ষ্য কোটি মানুষের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার থেকে আটকাতে পারবো। আমাদের প্রথমেই মনে রাখতে হবে মাস্ক পরতে হবে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে আর কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে নিজেদের হাত ধুতে হবে। তবেই জিততে পারবো আমরা। তবে অনেকেই এই নিয়ম মানছেন না। ক্ষমতার অপব্যাবহার করছেন। তারা কেউই আইনের ওপরে নন। এর পর থেকে জারা আইন মানবেন না তাদের ১,৩,০০০ টাকা করে ফাইন হবে”।

এরপরেই তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক দিক ঠিক কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব সেই বিষয়ে ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্য রাখেন।

তিনি ‘আত্মনির্ভর বানো’ এই মন্তব্যে জোর দিয়ে দেশবাসীর উদেশ্যে বলেন, “এবার থেকে আমরা দিন রাত আরও বেশি পরিশ্রম করব আত্মনির্ভর হব। আমাদের ১৩০ কোটি দেশবাসীকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে। নিজেদের আওয়াজ তৈরি করতে হবে”।

এইদিন তিনি দেশের এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ‘প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা’ ও ‘অন্য যোজনার’ সময়সীমা আরও ৫ মাস বাড়িয়ে নভেম্বর পর্যন্ত করেছেন। এই দুই যোজনার মধ্যে দিয়ে তিনি দেশের গরীব মানুষদের পাশে অর্থ ও খাদ্য দিয়ে সাহায্য করেন।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সামনেই শ্রাবণ মাস আসছে। একের পর এক উৎসবের সময়। কিন্তু দেশের এই পরিস্থিতিতে গরীব মানুষদের পক্ষে উৎসবে সামিল হওয়া কষ্টকর হয়ে পরবে। তাই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এখন থেকে আরও ৫ মাস বাড়ানো হবে গরীব কল্যাণ যোজনা ও অন্য যোজনা”।

প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “সরকারের অন্য যোজনার দ্বারা দেশের গরীব মানুষের পাশে থাকতে পারার জন্য প্রধান মর্যাদা প্রাপ্য কৃষকের। আজ দেশের এই পরিস্থিততে যেভাবে কৃষকরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে, তাদের জন্যই সরকার দেশবাসীর কাছে বিনা মূল্যে খাদ্য প্রদান করতে পারছে”।

এছাড়াও তিনি যাবতিয় কর প্রদানকারী ব্যাক্তি ও কোম্পানি কেও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন তাঁদের জন্যই সরকার দেশবাসীকে আর্থিক ভাবে এত বড়ো সাহায্য করতে পারছেন।

তিনি বলেন “লকডাউনের শুরুতে সরকার ৩১ হাজার কোটি টাকা সরাসরি দেশের মানুষের কাছে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পৌছাতে পেরেছে। ট্যাক্স সঠিক সময় প্রদান করেন যারা তাদের জন্যই এই কাজ সম্ভব হতে পেরেছে”।

সবশেষে তিনি ১ জুলাই থেকে শুরু ‘আনলক-২’ এর ব্যাপারে দেশবাসীকে আরও সতর্ক থাকতে বলেন। সমস্ত নিয়ম মেনে করোনা মুক্ত দেশ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন দেশবাসীর উদ্দেশ্যে।

PAYTM

GOOGLE PAY