July 11, 2020

MIRROR NEWS

re-flexion of truth

ভারতে শুরু হলো ‘Covaxin’ এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপ্রেরণায় আত্মনির্ভর হতে শুরু করেছে ভারত। কোভিডের ভ্যাকসিন তৈরি দিয়ে শুরু আত্মনির্ভর ভারতের পথ চলা।

সম্প্রতি, সরকারি উদ্যোগে তৈরি হল করোনার টিকা ‘কোভ্যাক্সিন’ (COVAXIN)।এবার এই টিকা অনুমোদন পেয়ে গেল মানুষের শরীরে ট্রায়াল চালানোর।

ভারত বায়োটেক, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)-র যৌথ উদ্যোগে করোনাভাইরাসের এই প্রতিষেধকটি তৈরি করা হয়েছে।

অতীতেও পোলিও, র‍্যাবিস, জাপানিজ এনসেফেলাইটিস, জিকা ও চিকুনগুনিয়ার মতো বিভিন্ন ভাইরাসঘটিত রোগের টীকা উদ্ভাবনে খ্যাতি অর্জন করেছে ভারত।

সোমবার টিকা তৈরি হওয়ার কথা ঘোষণা করে ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. কৃষ্ণ এল্লা বলেন, “আমরা কোভিড ১৯ প্রতিরোধ করতে  প্রথম দেশীয় টিকা আবিষ্কার করতে পেরে গর্বিত। কোভ্যাক্সিন নামের এই টীকা তৈরির কাজে আইসিএমআর এবং এনআইভি আমাদের সহযোগিতা করেছে।  এ ব্যাপারে  আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টিম এবং উৎপাদক টিমও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে।চলতি বছরের ৯ মে আইসিএমআর জানিয়েছিল ভারত বায়োটেকের এই গবেষণার কথা। দু’মাসেরও কম সময়ে মানবদেহে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে তারা। যা  বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় অনেকটাই দ্রুত”।

প্রথম দফায় মানবদেহে প্রয়োগ করে দেখা হবে, ওষুধটি কীরকম আচরণ করছে। কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটছে কিনা। ঘটলে ওষুধের উপাদানে বদল আনা হবে।

এর পরে দ্বিতীয় দফায় টিকাটি কতটা পরিমাণে মানবদেহে ব্যবহার করতে হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। সব মিলিয়ে মাস চার-পাঁচ লাগতে পারে এই টিকার সমস্ত রকম পরীক্ষা শেষ হতে। তার পরেই সম্ভাবনা রয়েছে এদেশে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করার।

PAYTM

GOOGLE PAY