September 29, 2020

কাস্তে কবির জন্মদিনে

চিনতাম তাঁকে একেবারে অন্যভাবে।

ছোটবেলা থেকে ‘কবিতা দাদু ‘বলতাম।আমার বাবা –খুব সম্মান করতেন।

আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় তিনি ছিলেন বিচারকের আসনে।

এত পরিচয়ের পরও কিন্তু তাঁর বিচারে আমি পেয়ে ছিলাম চতুর্থ স্থান।

পরের দিন চেতলার বিখ্যাত ‘-দেশেরখাবার’ মিষ্টির দোকান থেকে মিষ্টি দই খাইয়েছিলেন।

প্রশ্ন করিনি সেদিন–” কেন 4th??”

রাগ হলেও বুঝেছিলাম একটা কোথাও খামতি ছিল।পরে বুঝিয়েছিলেন-কবিতার মর্মকথা কীভাবে বলতে হয়।।।।

####তারপর তাঁর কবিতা নিয়ে যখন এগোলাম দেখলাম–“রাশি রাশি ছড়িয়ে আছে তাঁর চেতনা/শুধু কুড়িয়ে নিতে হবে’।##
####

===আজ সেই মানুষটির জন্ম দিন।
১৬ই–সেপ্টেম্বর।
বারো বছর বয়স থেকে লেখা শুরু হয়েছিল।
আপোসহীন সরল কবিতার ভাষা।
আর লিখতে লিখতে কখন সমাজের কাছে পরিচিত হলেন—
############ কাস্তে কবি দীনেশ দাস–।
________
হ্যা তিনি কাস্তে কবি হয়ে থাকতে চেয়েছিলেন।
তাই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন-“

“বেয়নেড হোক যত ধারালো
কাস্তে টা ধার দিও বন্ধু। “

বিশ্ব কবির—কাব্যের দরবারে তাঁর ‘মৌমাছি’-কবিতাটি স্থান পেয়েছিল।

আর ভারতীয় জাতিয় আন্দোলনে তাঁর ভূমিকায় সাম্রাজ্য বাদীরা -আতঙ্কিত হয়েছিল।

জীবনে -আপোসহীন এই পদক্ষেপ তাঁকে আরও বেশী দৃঢ় করে তুলেছিল।

রাশিয়ার জার গোষ্ঠীর কাছে যেমন –লেনিন মাথা নত করেন নি,তেমনি সাম্রাজ্যবাদী,পুঁজিবাদী গোষ্ঠীর কাছে দিনেশ দাশ—–কলমকে তৈরী করেছিলেন-কাস্তের রূপে।

জন্মদিন টি ভরে উঠুক জন্মদিনের সাজে।

কমরেড কাস্তে কবি।

PAYTM

GOOGLE PAY