October 26, 2020

থামলো ঘন্টা, শিলাজিতের ক্লোন গান !

কাকেরা কোথায় বসে আছে , তাঁর দিকে তাকিয়ে শিলাজিত। নিজের বিজ্ঞাপন

প্যাকেজ কেমন হবেতা ভালোই জানেন তিনি। তবু তিনি থমকে

আছেন অ্যান্টেনার দিকে তাকিয়ে। তিনি গানগাইতে পারছেন না।

পায়ে কারা যেন শিকল পড়িয়ে দিয়েছে।

বুকে তাঁর বারুদের বাসা বলে যিনি চিৎকার করতেন ,

তিনি এখন আইনের বেড়াজালে শিটিয়ে যাচ্ছেন।

তবে নিজের সন্তানের   থেকে দূরে থাকা যে কতটা কষ্টের তা শিলাজিত বোঝেন।

তাঁর পঞ্চাশ টারও বেশি  গানের   কপিরাইট আপাতত স্ট্রাইকে।

সুর , শব্দ দুই এর ওপর ই নেমে এসেছে  কপিরাইট আঘাত ।

নিজের তৈরি  একাধিক  গানের পাব্লিক পারফরমেন্সও নিষেধাজ্ঞা

জারি হয়েছে আইনি  মারপ্যাচে।  ” ভূমিকা ” সহ বেশ কিছু অ্যালবামের গান ,

তাঁর সুর শব্দ এমন কি  নিজের বানানো ইয়োডেলিং  পর্যন্ত ব্যবহারে সাবধানী হতে হচ্ছে

বাংলা গানের খোল নলচে বদলানোর অ্যাংরি ইয়ং ইমেজের দাপুটে গায়ক কে।

শিলাজিতের অভিযোগ তাঁর নিজের গানের সমস্ত কপিরাইট একটি ক্যাসেট কোম্পানি  বেচে দিয়েছে।

১৯৯৪ সালের ১ লা সেপ্টেম্বর তাঁর অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছিল , আর বিশের সেপ্টেম্বরের

মাস  ১ লায় ফের হাড়ি ফাটালেন  শিলাজিত।

দমবার পাত্র যে তিনি আদপেই নন। তা ইউটিউবে রি ভূমিকা এনেই বুঝিয়ে দিলেন।

দুই ডাকাতের গল্প শোনাতে গিয়ে  রবীন্দ্রনাথকেই  প্রতিবাদের ভাষা আর হাতিয়ার করলেন ।

ভাগ্যিস রবিঠাকুরের আর কপিরাইট মার প্যাচ নেই ,

নাহলে ফের জালে জড়াতেন প্যাকেজ মাস্টার শিলাজিত !

          পাছে    সুর ভুলি এই ভয় হয়–

পাছে    ছিন্ন তারের জয় হয়॥

পাছে    উৎসবক্ষণ তন্দ্রালসে হয় নিমগন,    পুণ্য লগন

হেলায় খেলায় ক্ষয় হয়–

পাছে     বিনা গানেই মিলনবেলা ক্ষয় হয়॥

যখন    তাণ্ডবে মোর ডাক পড়ে

পাছে    তার তালে মোর তাল না মেলে    সেই ঝড়ে।

যখন    মরণ এসে ডাকবে শেষে বরণ-গানে,    পাছে প্রাণে

PAYTM

GOOGLE PAY