October 24, 2020

চিনের মানুষকে দেওয়া হচ্ছে অনুমোদনবিহীন করোনা টিকা

সারা পৃথিবীতে বর্তমানে সবচেয়ে দুর্লভ বস্তু হল – করোনা র ভ্যক্সিন বা টিকা।

দেশ কাল ভেদে মানুষ একজোট হয়ে করোনার টিকা আবিষ্কার এর চেষ্টায় রত।

তবে,তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না।কিন্তু করোনার জন্মস্থান চিন এ দেখা যাচ্ছে,সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি।

সেখানে কিন্তু টিকা করণ হচ্ছে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন সংস্থার কর্মীরা ,সরকারি কর্মকর্তা,ভ্যাক্সিন কোম্পানির কর্মী, সুপার মার্কেট এর কর্মী,

এবং যারা বিদেশ থেকে এসেছে তাদের সকলেরই টিকাকরণ হচ্ছে,কিন্তু সেটাই মারাত্মক।

কারণ সেই টিকা অনুমোদিত নয়।

অষ্ট্রেলিয়ার মুর্ডো চিলড্রেন রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর পিডিয়াট্রিশিয়ান ডঃ কিম মুলহোলান্ড এর মতে,

অনুমোদিত নয় এমন ভ্যাক্সিন এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

এবং তার চিন্তা সেই সব কর্মীদের জন্য যাদের পক্ষে না করা কঠিন।

যেহেতু চিন এর জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এই ভ্যাক্সিন নিয়েছে তাই আপাতত ধরা হচ্ছে কেউই তাদের পছন্দ অনুসারে এই কাজ টি করছে না।

সূত্রের খবর অনুযায়ি,যাতে এই ব্যাপারে কেউ সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ না খোলে,

তাই কোম্পানি গুলির তরফে,প্রত্যেক কেই টিকাকরণের আগে একটা চুক্তি পত্রে সই করিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ভ্যাক্সিন ইনস্টিটিউট এ কর্মরত জেরম কিম এর মতে,এই ধরণের ভ্যাক্সিন গুলির সবচেয়ে বড় ব্যাপার নেতিবাচক পরিণতি।

এই ভ্যাক্সিন এর জন্য সুস্থ ব্যাক্তি আক্রান্ত হতে পারে আবার যাদের টিকা দেওয়া হল,তাদের মধ্যে থেকেই ভাইরাস টি আর ও বেশী মানুষের দেহে ছড়িয়ে পরতে পারে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন সংস্থা শিনোফ্রাম জানায়,এটা পরিষ্কার ভাবে বোঝা যাচ্ছে না, কতজন এর টিকাকরণ হয়েছে।

তাদের মতে,প্রতি হাজারে প্রায় ১০০ জন মানুষ এর টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে।

অপর দিকে,বেজিং এর সংস্থা শিনোভ্যাক এর মতে,বেজিং এ ১০০০০ হাজার জন এর ওপর টিকাকরণ হয়েছে।

PAYTM

GOOGLE PAY