November 23, 2020

পুজো মণ্ডপে ঠাকুরের কাজেও নয়া নির্দেশ হাইকোর্টের

পুজো নিয়ে নয়া নির্দেশ রাজ্য হাইকোর্টের।

পুজো পরবর্তী করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই সিদ্ধান্ত হাইকোর্টের।

রাজ্যের প্রতিটি পুজো মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড ঝোলাতে হবে।

এছাড়াও পুজো মণ্ডপে ঠাকুরের কাজের ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হাইকোর্টের।

এছাড়াও পুজো মণ্ডপ গুলি কন্টেনমেন্ট জোন হিসাবেও ঘষিত হবে।

সোমবার দুর্গা পুজো সম্বন্ধিত একটি জনস্বার্থ মামলায় এই রায় জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট।

বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এই জনস্বার্থ মামলায় রায় দিয়েছেন।

এই নয়া রায়ে বলা হয়েছে, মণ্ডপের ভেতরে পুজো সংক্রান্ত বা অন্যান্য কাজকর্ম পালনে সর্বাধিক ২০ থেকে ২৫ জন থাকতে পারবেন।

সেই নামের তালিকা দিতে হবে পুলিশের কাছে।

পুজোর কটা দিন নির্দিষ্ট ২৫ জনের দলকেই মণ্ডপে এই কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে।

ওই তালিকায় আর কোনও নাম সংযোজন করা যাবে না।

তালিকায় নতিভুক্ত নেই এমন কোনও ব্যক্তিকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

ওই সদস্যের নামের তালিকা মণ্ডপের বাইরে সকলের সম্মুখে রাখতে হবে।

এছাড়াও ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ডের ক্ষত্রেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম।

ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে ৫ মিটার দূরত্বে ঝোলাতে হবে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড।

আর বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ডের দূরত্ব হবে ১০ মিটার।

কোনও দর্শনার্থীই মন্ডপের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেননা।

‘নো এন্ট্রি’ ব্যারিকেডের বাইরে থেকেই প্রতিমা ও মণ্ডপ দর্শন করতে হবে দর্শনার্থীদের।

তবে এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছন রাজ্য সরকার।

ইতি মধ্যেই এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার।

মঙ্গলবারই এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গত, করোনা আবহেও বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজো পালনে যাতে কোনও রকম ভাবেই বিঘ্ন না ঘটে সেই দিকে প্রথম থেকেই নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেই উপলক্ষে রাজ্যের ১০ বছরের পুরোনো পুজো গুলিকে ইতিমধ্যেই ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছেন তিনি।

এইবার এই রায়ে রাজ্যে দুর্গা পুজো পালনের ক্ষেত্রে নয়া কি মোড় নেয় তাই এখন লক্ষণীয়।

PAYTM

GOOGLE PAY