November 26, 2020

পুজো সংক্রান্ত হাইকোর্টের নয়া নির্দেশ, মণ্ডপে প্রবেশের ক্ষেত্রে নয়া নির্দেশিকা

কোভিড পরিস্থিতিতে রাজ্য জুরে পুজো নিয়ে চলছে ডামাডোল।

একের পর এক নিয়ম পাল্টা নিয়মে জর্জরিত বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব।

তবে পুজো সংক্রান্ত পূর্ববর্তী নিয়ম বেশ কিছুটা শিথিল করল রাজ্য হাইকোর্ট।

তবে বহাল থাকল মন্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা।

পঞ্চমীর দিন সকালের এই নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বড় পুজো মণ্ডপের ক্ষেত্রে ২৫ জনের পরিবর্তে একসঙ্গে ৪৫ জন প্রবেশ করতে পারবেন।

এবং ২৫ জনের নয় ৬০ জনের তালিকা তৈরি করা যাবে।

তবে ৩০০ বর্গমিটারের ছোটো মণ্ডপে ১৫ জনের তালিকা তৈরি করতে হবে।

সেই ক্ষেত্রে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন।

ইতিপূর্বে বলা হয়েছিলো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের নাম পরিবর্তন করা যাবেনা তবে এই নয়া নির্দেশে বলা হয়েছে তালিকা নিয়মিত আপডেট করা যাবে।

প্রতিদিন সকাল আটটার মধ্যে সেই তালিকা তৈরি করতে হবে।

এছাড়াও উদ্যোক্তারা ছাড়া মণ্ডপে স্থানীয়দের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পুজো নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশ অনুসারে,

রাজ্যের প্রতিটি পুজো মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড ঝোলাতে হবে।

এছাড়াও পুজো মণ্ডপ গুলি কন্টেনমেন্ট জোন হিসাবেও ঘষিত হবে।

ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে ৫ মিটার দূরত্বে ঝোলাতে হবে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড।

আর বড় মণ্ডপের ক্ষেত্রে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ডের দূরত্ব হবে ১০ মিটার।

কোনও দর্শনার্থীই মন্ডপের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেননা।

‘নো এন্ট্রি’ ব্যারিকেডের বাইরে থেকেই প্রতিমা ও মণ্ডপ দর্শন করতে হবে দর্শনার্থীদের।

এছাড়াও ঠাকুরের কাজে ক্ষেত্রেও ছিলো বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা।

বলা হয়েছিলো, মণ্ডপের ভেতরে পুজো সংক্রান্ত বা অন্যান্য কাজকর্ম পালনে সর্বাধিক ২০ থেকে ২৫ জন থাকতে পারবেন।

সেই নামের তালিকা দিতে হবে পুলিশের কাছে।

পুজোর কটা দিন নির্দিষ্ট ২৫ জনের দলকেই মণ্ডপে এই কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে।

ওই তালিকায় আর কোনও নাম সংযোজন করা যাবে না।

তালিকায় নতিভুক্ত নেই এমন কোনও ব্যক্তিকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

ওই সদস্যের নামের তালিকা মণ্ডপের বাইরে সকলের সম্মুখে রাখতে হবে।

সোমবার দুর্গা পুজো সম্বন্ধিত একটি জনস্বার্থ মামলায় বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিনে এই রায় জারি করেছিলো কলকাতা হাইকোর্ট।

তবে এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্য সরকার।

রায়ের বিপক্ষে ফের বিচার বসার দাবি জানানো হয়।

সেই দাবিতেই এই নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য হাইকোর্ট।

 

PAYTM

GOOGLE PAY