November 26, 2020

অমিতাভের পরিবারের প্রশ্নের মুখে গুরুং

ফিরে যেতে হবে ৩ বছর আগে।

তারিখটা ছিলো ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর।

পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল দার্জিলিং পাহাড়।

সেই সময়ে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি শান্ত করতে সামনে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক অফিসার অমিতাভ মালিক।

পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল গুরুং এর বিরুদ্ধে।

গা ঢাকা দেয় গুরুং।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর দার্জিলিংয়ের সিংলার জঙ্গলে সিরুবাড়ি এলাকায় গুরুংয়ের খোঁজে যায় পুলিশ বাহিনী।

সেই দলে ছিলেন অফিসার অমিতাভ মালিক। .

গুরুং বাহিনী পুলিশকে আক্রমণ করে আর তাদের গুলিতে প্রাণ হারান অমিতাভ।

টিভির পর্দায় ভেসে ওঠা ‘ব্রেকিং নিউজ’ দেখে অমিতাভ মালিকের মা গঙ্গা মালিক ও বাবা সৌমেন মালিক জানতে পেরেছিলেন তাদের ছেলের মৃত্যুর খবর।

ঠিক ৩ বছর পর আবার টিভির পর্দায় ব্রেকিং নিউজে বিমল গুরুং কে বলতে শোনা গেল ‘আমি অপরাধী নই। দেশদ্রোহীও নই।’

এই কথা শুনে অমিতাভ মালিকের বাবার সৌমেন মালিক তার ছেলের খুনি কে এই কথা জানতে চান।

প্রশ্ন করেন তিনি বিমল গুরুং কে।

সমগ্র বাঙালি দুর্গা পুজোর আনন্দে মেতে উঠলেও অমিতাভের পরিবারের সেই আনন্দ একটুও গিয়ে পৌঁছায়নি।

এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কারখানায় চাকরি করতেন সৌমিন বাবু কিন্তু করোনার কারণে সেই চাকরি এখন আর নেই।

শারীরিক অবস্থার যথেষ্ট অবনতি হয়েছে তার।

সূত্রের খবর অমিতাভ মালিকের স্ত্রী বিউটি মালিককে চাকরি দেওয়া হয়েছে।

সংসারের হাল এখন তিনি ধরেছেন।

শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নেই অমিতাভের মায়েরও।

এই পরিস্থিতিতে পুত্র হত্যার মূল অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের শাস্তির দাবি করেছেন অমিতাভের পরিবার।

PAYTM

GOOGLE PAY