April 16, 2021

দেহে শসার উপকারিতা

শসার উপকারিতা এবং গুণমান সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবারই জানা আছে।

শসা সব ঋতুতেই সহজেই পাওয়া যায়।

মেদ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে রূপচর্চায় শসার উপকারিতা অপরিসীম।

কেবলমাত্র খাওয়া নয়, প্রাচীন চিকিৎসার এক অন্যতম উপকরন ছিল শসা।

এছাড়াও, রূপচর্চায় শসার শাঁস এবং ছাল উভয়ই লাগিয়ে অধিক মাত্রায় উপকার পাওয়া যায়।

শসাতে জল আছে শতকরা ৯৫ ভাগ।

ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে দেহ শীতল রাখতে সহায়তা করে।

শসায় ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম।

প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় আছে মাত্র ১৫ ক্যালোরি।

এতে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে ডায়েট করার ক্ষেত্রে শসা অসধারন বন্ধু হতে পারে আপনার।

(১) শরীরের ভিটামিন পুরনে

আমাদের শরীরে ভিটামিন এ,বি ও সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেহের বিকাশে সহায়তা করে।

গাজর ও যেকোনো শাকের সঙ্গে রোজ শসা খেলে দেহে এই তিন ভিতামিনের চাহিদায় পূরণ হবে।

(২) ওজন কমাতে

শসায় নিম্নমাত্রায় ক্যালোরি এবং উচ্চমাত্রাই জল রয়েছে,

যা আমাদের দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়াও, হজম শক্তিতে শসার গুনমান অপরিসীম।

(৩) ক্যানসার প্রতিরোধে

শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামে তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে।

জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

(৪) ডায়াবেটিস প্রতিরোধে

শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে,

শসায় থাকা স্টেরল নামক উপাদান রক্তের কোলেস্টরলের আধিক্য কমাতে ভূমিকা রাখে।

(৫) চোখের সৌন্দর্যে

সৌন্দর্য চর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।

এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়,

তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।

এমনকি চোখের প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া, জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে শসা কাজ করে।