April 16, 2021

নাসা দিল মঙ্গলের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রতিদিনের পরিকল্পনায় একটা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

নাসার বিজ্ঞানীরাও তাদের পরিকল্পনা রূপায়িত করতে আবহাওয়ার ডেটা ব্যবহার করেন।

মঙ্গলের জেজেরো ক্র্যাটার থেকে তাঁরা মঙ্গল গ্রহের কয়েক মিলিয়ন মাইল দূরের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন সফল ভাবেই।

নাসার রোভার লাল গ্রহে তৈরি করেছে নয়া ইতিহাস।

ইঞ্জিনিয়াররা যেমন পৃথিবীতে এমইডিএর প্রথম ডেটা পয়েন্ট পেয়েছেন।

এই দলটি মঙ্গলের জেজেরো ক্র্যাটারের কাছ থেকে তাদের প্রথম আবহাওয়ার রিপোর্টটিও পেয়েছে।

ডেটা দেখিয়েছিল যে সিস্টেমটি রেকর্ডিং শুরু করার সময় মাইনাস ৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ছিল।

এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়।

এনভায়রনমেন্টাল মনিটরিং স্টেশন বা আরইএমএস থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে,

মিডির রেডিয়েশন এবং ডাস্ট সেন্সর দেখিয়েছিল যে জেজেরো প্রায় একই সময়ে প্রায় ২,৩০০ মাইল বা ৩,৭০০ কিলোমিটার দূরের আবহাওয়া চিত্র তুলে ধরেছিল।

এই এমইডিএর ওজন প্রায় ১২ পাউন্ড বা ৫.৫ কিলোগ্রাম।

এটি ধূলিকণার মাত্রা এবং বায়ু, চাপ, আপেক্ষিক আর্দ্রতা, বায়ু তাপমাত্রা, স্থল তাপমাত্রা এবং বিকিরণ রেকর্ড করতে পারে।

উপরিউক্ত এই পরিবেশগত সেন্সর গুলিকে কাজে লাগিয়ে প্রতি ঘন্টায় সক্রিয় হয় আবহাওয়া পরিমাপক যন্ত্রটি।

পর্যাপ্ত ডেটা সঞ্চয় করে ফের বন্ধ হয়ে যায়।

নাসার তরফ থেকে জানানো হয়,

এই ডেটাই নিশ্চিত করবে যে, আমাদের যন্ত্রটি নিরাপদে অবতরণ করেছে।

প্রথম ডেটা আসার সময়টি ছিল দুর্দান্ত তীব্রতা   এবং উত্তেজনার মুহূর্ত।

কয়েক বছর কাজ এবং পরিকল্পনার সফল রূপায়ণে নাসা এমইডিএ থেকে প্রথম ডেটা রিপোর্ট পেয়েছে।

সিস্টেমটি বেঁচে ছিল এবং স্কাই ক্যাম থেকে তার প্রথম আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য এবং চিত্র পাঠিয়েছে।