May 8, 2021

করোনায় কমছে না ভোটের দফা। রাজ্যে বাকি দফার নির্বাচনগুলি হবে পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই।

তবে কোভিড প্রোটোকল মেনে বাকি পর্বের নির্বাচন পরিচালনা করা হবে বলে শুক্রবার সর্বদল বৈঠকে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে বাকি চার দফা ভোটে প্রচারের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতে সর্বদল বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন।

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক সার্কিট হাউসে বসে এই বৈঠক।

এদিন বৈঠকে তৃণমূল এর তরফে উপস্থিত ছিলেন সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বিজেপির পক্ষে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া ও স্বপন দাশগুপ্ত।

অনুরুপভাবে, বাম দলের থেকে ছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, রবীন দেব প্রমুখ।

বৈঠকে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়।

বিজেপি শুরু থেকেই ভোটের দফা কমানোর বিরোধী।

এদিনও কমিশনের ডাকা বৈঠকে কোভিড বিধি মেনে বাকি চার পর্বের নির্বাচনের সওয়াল করেন বিজেপি নেতারা।

দূরত্ব বিধি মেনে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোটের সওয়াল গেরুয়া শিবিরের।

তবে তৃণমূলের তরফে এদিনও আট দফার ভোটের বিরোধিতা করা হয়েছে।

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন,

“তৃণমূল শুরু থেকেই আট দফা ভোটের বিপক্ষে।

বাংলার মানুষের জীবন রক্ষা করাই প্রধান কাজ।

করোনার জন্যই বাকি দফার ভোট একসঙ্গে চেয়েছি”।

বাকি দফার নির্বাচনে কোভিড বিধি মেনে প্রচারের সওয়াল বিজেপির।

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ভোটের প্রচারে তাঁদের মত নেই বলে জানিয়েছেন বিজেপি প্রতিনিধিরা।

এদিকে, সিপিএম নেতাদের অভিযোগ,

প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত কোভিড বিধি ভাঙছেন।

সংযুক্ত মোর্চা কোভিড বিধি মানছেন বলে দাবি সিপিএম নেতাদের।র

সংযুক্ত মোর্চার তরফে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন,

“আমরা চাইছি নির্দিষ্ট সূচি মেনেই নির্বাচন হোক।

একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল একসঙ্গে ভোট করতে চাইছে।

কিন্তু আমরা পূর্বের সূচিই মেনে চলার কথা বলেছি।

তারপরও বলছি কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেবে তা আমরা মেনে নেব।

কমিশনের দেওয়া গাইডলাইন মেনেই আমরা প্রচার করব।

কোডিড গাইডলাইনেও কোনও পরিবর্তন করেনি কমিশন।

আগেরটাই রয়েছে”।

অর্থাৎ তিন দফার ভোট এক দফায় করতে রাজি নয় সংযুক্ত মোর্চা।

একই বক্তব্য স্বপন দাশগুপ্ত এরও।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে চার দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে।

পঞ্চম দফায় আগামিকাল রাজ্যের ৪৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।

এরপরও রয়েছে আরও তিন দফা নির্বাচন।

বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যেই ভোট গণনা ২ মে।