May 8, 2021

আর কয়েকঘন্টার অপেক্ষা।

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে পঞ্চম দফা নির্বাচন।

তাই আসন্ন দফার ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

কড়া নজরে জেলাগুলি।

চতুর্থ দফায় শীতলকুচি কাণ্ডের পর বেশি তৎপর কমিশন।

শনিবার ৪৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রাজ্যে।

১৭ তারিখের নির্বাচনে যাতে চতুর্থ দফার ছায়া না পরে তাই নিয়ে তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইতিমধ্যেই ১ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে রাজ্যে।

উত্তর ২৪ পরগনায় জারি বিশেষ নজরদারি।চলছে নাকা চেকিংও।

ওই জেলার স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলির মধ্যে উঠে এসেছে দেগঙ্গার নাম।

ওই কেন্দ্রের মোট ভোটার ২ লক্ষ ৪১ হাজার ৯২৩ জন।

যার মধ্যে মহিলা ভোটার রয়েছে ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮১৩ জন।

আর পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ২৪ হাজার ১০৬ জন।

দেগঙ্গা কেন্দ্রে মোট বুথ রয়েছে ৩২৩ টি।

এরমধ্যে ১৬৬ টি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে ভোট গ্রহনের খুটিনাটি নজরে রাখবেন জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

এই কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬৮৫ জন ভোট কর্মী রয়েছেন।

এছাড়া, মোট ৪৫ টি কেন্দ্রে কড়া নজরদারিতে ভোট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশন।

এবার আরও বেশি সতর্ক।

সবচেয়ে বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানে।

১৫৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে সেখানেই।

তারপরেই রয়েছে রানাঘাট।

সেখানে থাকবে১৪০ কোম্পানি।

জলপাইগুড়িতে ১২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এছাড়া, বসিরহাটে ১০৭ কোম্পানি, বারাতসে ৬৯ কোম্পানি, দার্জিলিঙে ৬৮ কোম্পানি, ব্যারাকপুরে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়িতে ৫৬ কোম্পানি,

বিধাননগরে ৪৬ কোম্পানি, কালিম্পংয়ের ২১ কোম্পানি, কৃষ্ণনগরে ১১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে।

রাজারহাট-নিউটাউন, শাসন,দেহগঙ্গা, বসিরহাট, ভাটপাড়া, নৈহাটির মতো এলাকা গুলির উপর বাড়তি নিরাপত্তা এবং নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া

হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। কারণ, ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রগুলিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল।

অতিরিক্ত নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও এর আগের দফাগুলিতে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।

ঘটে শীতলকুচির মত নারকীয় ঘটনাও।

তাই , কমিশন তৎপর হলেও কী সুষ্ঠুভাবে হবে পঞ্চম দফার নির্বাচন?

সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন।