July 29, 2021

মন্ত্রীবদলেও চাপ কমেনি Twitter এর

সাম্প্রতিক বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই টুইটার কতৃপক্ষের সঙ্গেই  ভারতীয় সরকার এর তরজা চলছে।

বাকস্বাধীনতা ও ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন মানা নিয়ে টুইটার কে বেশ চাপ এর মুখে ফেলেছে  ভারতীয় সরকার।

এই বচসা শুরু হওয়ার সময় থেকেই তৎকালীন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রাসাদ টুইটার কে আক্রমণ করতে সবসমই ফ্রন্টফুটে  ছিলেন।

 

এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার মন্ত্রীমন্ডলী তে রদবদল আনেন।অন্যান্য প্রচুর হেভিওয়েট দের সাথে দপ্তর খোয়াতে হয় প্রাসাদ কেও।

 

তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রীর কুর্শি তে নতুন মুখ হয় আসেন অশ্বিনী বৈষ্ণব।

 

অশ্বিনী বৈষ্ণব এর আসার পর এই টুইটার ইস্যু তে তার অবস্থান জানা নিয়ে বেশ আগ্রহী ছিল অগণিত দেশবাসী এবং টুইটার কতৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের দায়িত্ব নেয়ার পরেই তার বক্তব্য স্পষ্ট করে দেন বৈষ্ণব ।

তিনি বলেন যে মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টুইটারকে অবশ্যই দেশের আইন মেনে চলতে হবে।

 

তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স এবং যোগাযোগ মন্ত্রকের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ইন্ডিয়া টিভিকে দেয়া বিবৃতি তে এই নব্বনিযুক্ত মন্ত্রী বলেন, 

“ভারতে ব্যবসা করা সমস্ত সংস্থাকেই আমাদের আইন মেনে চলতে হবে।”

 

অশ্বিনী বৈষ্ণব গত সন্ধ্যায় ৪৩ জন মন্ত্রীপদে শপথ নেওয়া নেতাদের ভেতর একজন।

মন্ত্রিত্ব রদবদলের ফল স্বরূপ তথ্যপ্রযুক্তির সাথে রেলমন্ত্রক এর ও দায়িত্ব পান এই প্রাক্তণ এই.এ.এস অফিসার।

 

বর্তমানে,সাংসদ হিসেবে তার প্রথম মেয়াদে থাকা অশ্বিনী বৈষ্ণব এর হাতে দুটি অতিগুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক দিয়ে

মোদী-শাহ রা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে বৈষ্ণব তাদের কাছে ঠিক কতটা প্রাধান্য রাখে।

 

 ফলে মন্ত্রীত্ব পেয়েই  এই পরিস্থিতি তে টুইটার এর বিরুদ্ধে বৈষ্ণবের  করা বিবৃতি বেশ চিন্তার ভাজ ফেলেছে টুইটার কতৃপক্ষের  কপালে ।

বৈষ্ণব এর এই কড়া বার্তার পর ,এই মাইক্রোব্লগ্গিং ওয়েবসাইট এর ভবিষ্যৎ  পরিকল্পনা কি সেদিকে তাকিয়ে নেটিজেনরা।