Home FEATURE শিল্পীর মৃত্যু – বাংলার দৈনতা ও সস্তার রাজনীতি

শিল্পীর মৃত্যু – বাংলার দৈনতা ও সস্তার রাজনীতি

222
0

অপদার্থতা ঢাকতে ফের রাজনীতি। আর তা অত্যন্ত সুচারু ভাবে। বিশিষ্ট সঙ্গীত

শিল্পী কৃষ্ণ কুমার কুন্নাথ এর  মৃত্যু ঘিরে দানা বাধছে অনেক প্রশ্ন।

সেসব প্রশ্ন মনে আসার আগেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড় । বলা ভালো মৃত্যুর কারন খুজে বের করার চেয়ে নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার সস্তা রাজনীতিই স্পষ্ট ।

বাংলার সঙ্গীত শিল্পীদের দীর্ঘদিনের অনেক কিছু  না পাওয়ার যন্ত্রনা

মাঝে মধ্যেই আবেগ আর রাগ মিশিয়ে ঝড়ে পরে বই কি ?

আর তাঁকে কাজে লাগাবে না রাজনীতি প্রিয় নয়া দুনিয়ার নেটিজেন রা তা কখনো হয়?

হ্যাঁ , বাংলার এক বিশিষ্ট  গায়ক কে , এই  কে কে আর ? বলে বিষোদ্গার করেছেন।

এটা অনেকটাই তাঁর এবং তাঁর মতো  হীনমন্যতায় ভোগা শিল্পী সত্ত্বার

বহিঃপ্রকাশ।  প্রশ্ন এমন বহিঃপ্রকাশ ?

কই হেমন্ত, সতীনাথ, মান্না দেকেও কখনো মুম্বাই আর বাংলা ভাগ করতে দেখা যায় নি ।

অনেক শিল্পী আজও নিজের দক্ষতা , আধুনিকতা ও সংবাদ মাধ্যম কে যথাযথ ব্যবহার করে মুম্বই তে গিয়ে নিজের জায়গা পাকা করেছেন।

আর আজ  বেশ কিছু বাংলার শিল্পীর ব্যবহারও ভদ্রোচিত নয়। আমরা যারা সাংবাদিকতা করি , তাঁরা অনেকেই জানি। তাই বিশিষ্ট বাংলার গায়কটি তাঁর হীনমন্যতার কারনে, ভাষা ব্যবহারের  মাত্রা হারিয়েছেন তা অন্যায় এর।

তবে এ যুগে কারোর অভিশাপে কারোর মৃত্যু । তা মানা যায় না। কোনো যুক্তি নেই । কিন্তু নেটিজেনরা ফেসবুকের মতো অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে শাপ – অভিশাপ – মৃত্যুর যুক্তি খাড়া করছে তা হাস্যকর।

যাক – এবার সরাসরি বিষয় এ আসি। কে কে আর যেই হোন না কেন , একজন পারফরমার। তাঁর নামে ভক্তের ঢল নামে। এসব জেনেও , উদ্যোক্তাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে এটা স্বাভাবিক।

দেখা গিয়েছে ভক্তের ঢল ঠেকাতে অবৈজ্ঞানিক ভাবে স্মোক ফায়ার করা হচ্ছে।

অনেকেই ফেসবুকে অভিযোগ তুলে জানাচ্ছেন শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল দর্শক – শ্রোতাদের।

এমন কি কে কে কেও দেখা গিয়েছে বারং বার ঘাম মুছে কষ্টের কথা সতীর্থকে জানাচ্ছেন।

এতসব দেখা আর শোনার পর একটাই কথা মনে হয় এখনই প্রশাসনের উচিত এই উদ্যোক্তাদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কড়া ব্যবস্থা।

Previous articleমিতালী ছুটলো ঢাকায়
Next articleফুটবলে বিদায় নিলয়ের