Home DISTRICTS বাঁচতেই গজ-লক্ষ্মীর আরাধনা

বাঁচতেই গজ-লক্ষ্মীর আরাধনা

148
0

মিরর নিউজঃ  কেটে গিয়েছে  একশো ১২৪ টি বছর।

আর তখন থেকেই  গজরাজের আক্রমণ থেকে জমির ফসল বাঁচাতে তাঁরা শুরু করেছিলেন ‘গজ লক্ষ্মী’র পুজো।

বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় এলাকার জঙ্গল লাগোয়া রামকানালী গ্রামে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন শুরু হওয়া সেই পুজো আজো হয়ে আসছে ।

সেকারণেই এখানে চিরাচরিত পেঁচা নয়, দেবী লক্ষ্মী হাতির পিঠে উপবিষ্টা। মাঝের কিছু বছর হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেলেও গত কয়েক বছর ধরে ফের শুরু হয়েছে দলমার দামালদের সাঁড়াশি আক্রমণ।

জঙ্গল লাগোয়া এই গ্রামে প্রায়শই ঢুকে পড়ে হাতির দল। জমির ফসল বাঁচাতে হিমশিম অবস্থা ঐ গ্রামের মানুষের।

আর তারপরেও সম্পূর্ণ ‘বিশ্বাস’কে আঁকড়ে ধরে ‘গজ লক্ষ্মী’র আরাধণায় মেতে উঠেছেন ঐ গ্রামের আট থেকে আশি  সকলেই।

ওই গ্রামের মানুষ  গুইরাম দাস জানালেন , তাঁদের  এলাকা মূলতঃ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু ঐ চাষের জমিতে হাতির উপদ্রব বরাবর।

মাঠে ধান পাকার মরশুমে কার্তিক থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত হাতিদের উপদ্রব বাড়ে। সেকারণেই গজরাজের আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে শস্যের দেবী লক্ষ্মীর  বাহন হাতি।

গত ১২৩ বছরের প্রথা মেনে ১২৪ তম বর্ষেও সেই প্রথা অব্যাহত বলে তিনি জানান।

শিউলী, অনুপমারা জানালেন  তাঁদের  গ্রামে দুর্গা পূজা হয়না। সেই দুর্গা পূজার আনন্দই হয় গজ লক্ষ্মী পূজোতে।

এখানে লক্ষ্মীকে ‘দেবী হিসেবে যতো না দেখা হয় তার চেয়ে বেশী ঘরের মেয়ে’ হিসেবেই মান্যতা দেওয়া  হয়’।

প্রতিদিন নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিসর্জনে সিঁদুর খেলার রীতিও চালু আছে।

Previous articleসাগর পাড়ে তিনি
Next articleদূর্নীতির নথি ট্রাকে !